Menu

  • হোম
  • নতুন পোস্ট
  • ট্রেন্ডিং
  • প্রস্তাবিত

Categories

  • ইমেইল মার্কেটিং
  • ইংলিশ গ্রামার
  • ডিজিটাল মার্কেটিং
  • পড়াশুনা
  • ফ্রিল্যান্সিং
  • বাংলা ব্যাকরণ
  • ব্লগিং
  • সিপিএ মার্কেটিং

Follow Us

Oprapti
  • হোম
  • ট্রেন্ডিং
No Result
View All Result
  • Login
  • Register
Oprapti
No Result
View All Result
সমাস কাকে বলে? সমাস কত প্রকার ও কি কি?

সমাস কাকে বলে? সমাস কত প্রকার ও কি কি?

অপ্রাপ্তি by অপ্রাপ্তি
3 months ago
in বাংলা ব্যাকরণ
0
SHARES
4
VIEWS
Share on FacebookShare on Twitter

সমাস হচ্ছে দুই বা ততোধিক পদের একপদীকরণ। যে কোন ভাষার শব্দভাণ্ডার সমৃদ্ধ হয় সন্ধি, প্রত্যয় ও সমাসের মাধ্যমে। ব্যাকরণে এই তিনটি বিষয় নতুন নতুন শব্দ নির্মাণের সাহায্য করে।

সমাস শব্দটির অভিধানিক অর্থ ‘সংক্ষেপ’ বা ‘মিলন’। ব্যাকরণে ‘সমাস’ শব্দটির অর্থ একাধিক পদের এক পদীকরণ। ‘ সমাস’ শব্দটির প্রকৃত প্রত্যয় হল – সম্ – √অস+অ (ঘঙ)। ‘ সম্ ‘ হল উপসর্গ,’ অস ‘ হল ধাতু এবং ‘ অ ‘ হল প্রত্যয়।

আরো পড়ুন: বল কাকে বলে? বলের প্রকারভেদ। মৌলিক বল কি?

যেমনঃ সু (শোভন) ব্রত যাহার = সুব্রত।

অর্থবাচকতা

সমাস শব্দের অর্থ সংক্ষেপ, সমর্থন, সংগ্রহ, মিলন।

সমাস প্রকারভেদ

সমাস ছয় প্রকার। যথাঃ

  • দ্বন্দ্ব
  • বহুব্রীহি
  • কর্মধারয়
  • তৎপুরুষ
  • দ্বিগু
  • অব্যয়ীভাব

দ্বন্দ্ব সমাস

যে সমাসে সমস্যমান প্রত্যেক পদের অর্থই প্রধানরূপে প্রতীয়মান হয়, তাকে দ্বন্দ্ব সমাস বলে।

যেমনঃ রূপ ও রস ও গন্ধ ও শব্দ ও স্পর্শ = রূপরসগন্ধশব্দস্পর্শ; অন্ন ও বস্ত্র = অন্নবস্ত্র।

বহুব্রীহি সমাস

যে সমাসে মূখ্যভাবে সমস্যবান পদসমূহের অর্থপ্রতীতি না হয়ে অন্য পদের অর্থ মূখ্যরূপে প্রতীয়মান হয়, তাকে বহুব্রীহি সমাস বলে।

যথাঃ পীত হইয়াছে অম্বর যাহার = পীতাম্বর (অর্থ শ্রীকৃষ্ণ)। এর ব্যাসবাক্যে একটি যদ্ শব্দের প্রয়োগ থাকে।

কর্মধারয় সমাস

বিশেষ্যের সাথে বিশেষণের সমাসকে কর্মধারয় সমাস বলে।

যথাঃ নীল যে উৎপল = নীলোৎপল। কর্মধারয় সমাসে উত্তর পদের অর্থ প্রধানভাবে থাকে।

কর্মধারয় সমাস প্রধানতঃ চার প্রকার। যথাঃ-  
  • মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস
  • উপমিত কর্মধারয় সমাস
  • রূপক কর্মধারয় সমাস
  • উপমান কর্মধারয় সমাস

মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাসঃ কর্মধারয় সমাসে কোন কোন স্থানে মধ্যপদের লোপ হয়। সেজন্যেই একে মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস বলে।

যথাঃ হিমালয় নামক পবর্ত = হিমালয়পবর্ত। এখানে ‘নামক’ মধ্যপদের লোপ হয়েছে।

উপমিত কর্মধারয় সমাসঃ সমান ধর্মবাচক পদের প্রয়োগ না থাকলে উপমেয় ও উপমান পদের যে সমাস হয়, তাকে উপমিত কর্মধারয় সমাস বলে।

যেমনঃ মুখ চন্দ্রসদৃশ = মুখচন্দ্র।

রূপক কর্মধারয় সমাসঃ উপমেয় পদে উপমানের আরোপ করে যে সমাস হয়, তাকে রূপক কর্মধারয় সমাস বলে। এতে উপমেয় পদে রূপ শব্দের যোগ থাকে।

যেমনঃ বিদ্যারূপ ধন = বিদ্যাধন। এখানে ‘রূপ’ শব্দের যোগ রয়েছে।

উপমান কর্মধারয় সমাসঃ উপমানবাচক পদের সাথে সমান ধর্মবাচক পদের মিলনে যে সমাস হয়, তাকে উপমান কর্মধারয় সমাস বলে।

যেমনঃ শশের (খরগোশের) ন্যায় ব্যস্ত = শশব্যস্ত।

তৎপুরুষ সমাস

দ্বিতীয়াদি বিভক্তান্ত পদ পূর্বে থেকে যে সমাস হয়, তাকে তৎপুরুষ সমাস বলে। এতে উত্তরপদের অর্থ প্রধানভাবে থাকে।

যেমনঃ লবণ দ্বারা অক্ত (যুক্ত) = লবণাক্ত।

তৎপুরুষ সমাস ছয় প্রকার। যথাঃ- 

  • দ্বিতীয়া-তৎপুরুষ
  • তৃতীয়া-তৎপুরুষ
  • চতুর্থী-তৎপুরুষ
  • পঞ্চমী-তৎপুরুষ
  • ষষ্ঠী-তৎপুরুষ
  • সপ্তমী-তৎপুরুষ

দ্বিতীয়া-তৎপুরুষঃ দ্বিতীয়া-বিভক্ত্যন্ত পদ পূর্বে থেকে সমাস হলে, তাকে দ্বিতীয়া-তৎপুরুষ বলে।

যেমনঃ স্বর্গকে গত = স্বর্গগত।

তৃতীয়া-তৎপুরুষঃ তৃতীয়া-বিভক্ত্যন্ত পদ পূর্বে থেকে সমাস হলে, তাকে তৃতীয়া-তৎপুরুষ বলে।

যেমনঃ রজ্জু দ্বারা বন্ধ = রজ্জুবন্ধ।

চতুর্থী-তৎপুরুষঃ চতুর্থী-বিভক্ত্যন্ত পদ পূর্বে থেকে সমাস হলে, তাকে চতুর্থী-তৎপুরুষ বলে।

যেমনঃ যজ্ঞের নিমিত্ত ভূমি = যজ্ঞভূমি।

পঞ্চমী-তৎপুরুষঃ পঞ্চমী-বিভক্ত্যন্ত পদ পূর্বে থেকে সমাস হলে, তাকে পঞ্চমী-তৎপুরুষ বলে।

যেমনঃ মুখ হইতে ভ্রষ্ট = মুখভ্রষ্ট।

ষষ্ঠী-তৎপুরুষঃ ষষ্ঠী-বিভক্ত্যন্ত পদ পূর্বে থেকে সমাস হলে, তাকে ষষ্ঠী-তৎপুরুষ বলে।

যেমনঃ দীনের বন্ধু = দীনবন্ধু।

সপ্তমী-তৎপুরুষঃ সপ্তমী-বিভক্ত্যন্ত পদ পূর্বে থেকে সমাস হলে, তাকে সপ্তমী-তৎপুরুষ বলে।

যেমনঃ দিবাতে নিদ্রা = দিবানিদ্রা।

এছাড়াও, নঞ্ অব্যয় পূর্বে থেকে যে সমাস হয়, তাকে নঞ্তৎপুরুষ বলে।

যেমনঃ ন উক্ত = অনুক্ত।

দ্বিগু সমাস

তদ্ধিতার্থে, উত্তরপদ পরে ও সমাহার বুঝালে সংখ্যাবাচক শব্দ পূর্বে থেকে যে সমাস হয়, তাকে দ্বিগু সমাস বলে।

তদ্ধিতার্থে, যথাঃ পঞ্চ (পাঁচটি) গো দ্বারা ক্রীত = পঞ্চগু। উত্তরপদ পরে, যথাঃ পঞ্চ হস্ত প্রমাণ ইহার = পঞ্চহস্তপ্রমাণ। [এখানে প্রমাণ শব্দ উত্তরপদ পরে থাকায় পঞ্চ ও হস্ত এই দুই পদের দ্বিগু সমাস হয়েছে]। সমাহারে, যথাঃ ত্রি (তিন) লোকের সমাহার = ত্রিলোকী।

অব্যয়ীভাব সমাস

অব্যয় পদ পূর্বে থেকে যে সমাস হয় এবং যাতে পূর্ব পদের অর্থেরই প্রাধান্য থাকে, তাকে অব্যয়ীভাব সমাস বলে। যেমনঃ আত্মাকে অধি (অধিকার করিয়া) = অধ্যাত্ম।

Tags: কর্মধারয় সমাসতৎপুরুষ সমাসদ্বন্দ্ব সমাসবহুব্রীহি সমাসসমাস কত প্রকারসমাস কাকে বলে
ShareTweet
অপ্রাপ্তি

অপ্রাপ্তি

অপ্রাপ্তি হলো একটি ব্লগিং ওয়েবসাইট যেখানে প্রতিনিয়ত টেকনোলজি এবং প্রযুক্তি বিষয়ক বিভিন্ন টিপস এবং ট্রিকস নিয়ে আর্টিকাল প্রকাশ করা হয়।

Leave a Reply Cancel reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Popular posts

  • CPA Marketing

    সিপিএ মার্কেটিং কি? CPA Marketing Guideline নতুনদের জন্য

    0 shares
    Share 0 Tweet 0
  • Verb কাকে বলে? Verb কত প্রকার ও কি কি?

    0 shares
    Share 0 Tweet 0
  • Number কাকে বলে? Number কত প্রকার ও কি কি?

    0 shares
    Share 0 Tweet 0
  • পরাগায়ন কাকে বলে? কত প্রকার ও কি কি?

    0 shares
    Share 0 Tweet 0
  • Interjection কাকে বলে?

    0 shares
    Share 0 Tweet 0

Copyright © 2026 by Oprapti.

  • Home
  • আমাদের সম্পর্কে
  • Contact Us
  • Disclaimer
  • Terms and Conditions

Welcome Back!

Login to your account below

Forgotten Password? Sign Up

Create New Account!

Fill the forms below to register

All fields are required. Log In

Retrieve your password

Please enter your username or email address to reset your password.

Log In
No Result
View All Result
  • হোম
  • বাংলা ব্যাকরণ
  • ইংলিশ গ্রামার
  • ইমেইল মার্কেটিং
  • ডিজিটাল মার্কেটিং
  • ফ্রিল্যান্সিং
  • ব্লগিং

© 2026 JNews - Premium WordPress news & magazine theme by Jegtheme.