বাক্যে একটি পদের সঙ্গে অপর একটি পদের মধ্যে সংযোগ স্থাপন এবং বাক্যটিকে সুসাজ্জিত করে তোলার জন্য যে বর্ণগুলি ব্যবহার করা হয় সেগুলিকেই বলা হয় বিভক্তি।
আরো পড়ুন: ব্যাকরণ কাকে বলে? ব্যাকরণ কত প্রকার ও কি কি?
সংস্কৃত ব্যাকরণে পাঁচ প্রকার প্রত্যয়ের একটি হলো- বিভক্তি। এই প্রত্যয়গুলি ক্রিয়ামূলের সাথে যুক্ত হয়ে কাল ও পুরষভেদে ক্রিয়াপদ সৃষ্টি করে এবং বাক্যস্থ পদের সাথে যুক্ত হয়ে বাক্যের অন্যান্য পদের সাথে সম্পর্ক স্থাপন করে।
প্রাথমিকভাবে বিভক্তিকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়। এই ভাগগুলি হলো-
- ক্রিয়া বিভক্তি
- শব্দ বিভক্তি
ক্রিয়া বিভক্তি
যে বিভক্তি ক্রিয়ামূলের সাথে যুক্ত হয়ে কাল ও পুরষভেদে ক্রিয়াপদ সৃষ্টি করে। যেমন-
√কর্ (করা) + ইয়াছিলাম=করিয়াছিলাম>করেছিলাম।
এখানে ইয়াছিলাম ক্রিয়া বিভক্তি।
শব্দ বিভক্তি
ক্রিয়াপদ ছাড়া অন্য পদের সাথে যে সকল বিভক্তি যুক্ত হয় এবং বাক্যস্থ একটি পদের সাথে অন্যান্য পদের সম্পর্ক স্থাপন করে বা বিশেষ্য ও সর্বনাম পদের বচন প্রকাশ করে বা নির্দেশবাচক ভাব প্রকাশে সহায়তা করে, তাদেরকে শব্দ বিভক্তি বলা হয়। যেমন-
শিশুকে, পাখিটি, হাতটা ইত্যাদি শব্দে ব্যবহৃত কে, টি, টা গুলি শব্দবিভক্তি।
শব্দ বিভক্তি প্রকারভেদ
সংজ্ঞানুসারে শব্দবিভক্তির প্রয়োগ অনুসারে চারটটি ভাগে ভাগ করা হয়। এই ভাগগুলি হলো-
- কারক বিভক্তি
- সমষ্টিবাচক বিভক্তি
- নির্দেশক বিভক্তি
- পদান্তর বিভক্তি।








